ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে গুম,অপহরণের নাটক, নারী নির্যাতন ও মিথ্যা দোষারোপ সাজানোর অভিযোগের প্রতিবাদ তুলে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়(রাবি) শাখা ছাত্রদল।
রবিবার (১৪জুন) বেলা ২টায় মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ফলক চত্বর থেকে শুরু করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পরিবহন চত্বরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জড়ো হয়।
এসময় শিবিরকে "ধর্ষ*ক ও মুনাফিক" আখ্যা দিয়ে ছাত্রদলের বিভিন্ন নেতাকর্মীদের মুখে "ধর্ষকদের আস্তানা, জালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও" "বাহ্ শফীক চমৎকার, ধর্ষকদের পাহরাদার " ধর্ষক ধর্ষক, জামাত-শিবির ধর্ষক", "ধর্ষকদের বিরুদ্ধে ডাইরেক অ্যাকশেন " এমন শ্লোগান দিতে দেখা যায়।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের মানুষের মাঝে একটি গোষ্ঠী বিএনপির নামে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে। ১৯৭১ সালে আমরা তাদেরকে মোকাবেলা করেছিলাম। এখন ২০২৬ সালে এসে এমন বিভ্রান্তিকর কার্যক্রম বন্ধ না করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা চাই প্রশাসনের মাধ্যমে এই ধর্ষক জিসানের প্রকৃত শাস্তি নিশ্চিত করতে।
রাবি ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ বলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান একটি মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে আত্মগোপনে চলে গিয়েছিলেন। এরপর ছাত্র শিবির ও জামাতে নেতাকর্মীরা একে গু*ম বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও পোর্টালে অপপ্রচার চালায়। সে মিথ্যা অপপ্রচারকে কেন্দ্র করে রাবি ছাত্রদলের আজকের এই বিক্ষোভ মিছিল।
রাবি ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ১৯৭১ সালের রাজাকার, আলবদর বাহিনী যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, লাল সবুজ পতাকে বিশ্বাস করতো না, বাংলাদেশের উন্নয়নকে মেনে নিতে পারে না। সেই ধর্ষক রাজাকার বাহিনী আজকে নতুন করে ইসলামের লেবাস পরে ঘরে ঘরে মা বোনদেরকে ধর্ষণ করার জন্য নিজেদেরকে প্রস্তুত করে রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতের নেতৃবৃন্দ মুখে ইসলামের কথা বল্লেও তাদের প্রকৃত চরিত্র হলো রাজাকারের চরিত্র, বাংলাদেশকে কিভাবে পিছিয়ে দেওয়া যায়, বাংলাদেশের জনগণের অধিকারকে কিভাবে লুন্ঠন করা যায়,কিভাবে শিক্ষার্থীদের রগ কাটা যায় এটাই তাদের মোনাফেকির প্রকৃত পরিচয়।
উল্লেখ্য ,উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন হল ছাত্রদলের সভাপতি সহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বিচারের দাবি জানান। যারা ‘মিথ্যা ও অপতথ্য’ ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, তাদের আইনের আওতায় আনার দাবিও জানান।
আলোকিত গৌড়/আ
মন্তব্য করুন: