চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার দুপুরে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫২ মিনিটের দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণকারী অ্যাপ My Earthquake Alerts এর মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩। এর উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি এলাকায়। উৎপত্তিস্থলের কাছাকাছি এলাকায় কম্পন ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এ কম্পনে ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। জুমার নামাজ আদায়ের সময় বিভিন্ন মসজিদে অবস্থানরত মুসল্লিরা আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। দেশের অন্যান্য স্থানেও একই সময়ে কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে বুধবার রাতে মিয়ানমারে সৃষ্ট ৫ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের প্রভাবেও দেশের বিভিন্ন এলাকা কেঁপে ওঠে।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের মতে, ফেব্রুয়ারি মাসে তুলনামূলক বেশি কম্পন অনুভূত হচ্ছে। চলতি মাসের ১ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে অন্তত আটবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ৩ মাত্রার মৃদু কম্পনের মাধ্যমে শুরু হয় এ ধারাবাহিকতা। ৩ ফেব্রুয়ারি একই দিনে তিনবার কম্পন হয়—এর মধ্যে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪ দশমিক ১ মাত্রা এবং মিয়ানমারে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প ছিল। এছাড়া ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সিলেটে এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতকেও কম্পন অনুভূত হয়।
ঘনঘন ভূমিকম্পের ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।
আলোকিত গৌড়/এম.আর
মন্তব্য করুন: