শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, ব্যবসায়ীদের সুবিধা হলে বই বিক্রিকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দিতে সরকারের কোনো বাধা নেই। তিনি বলেন, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা এমনভাবে এগোচ্ছে যেখানে নোট-গাইডের প্রয়োজনীয়তা ধীরে ধীরে কমে যাবে।
শুক্রবার (৮ মে) বেলা ১২টায় বাংলা একাডেমিতে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট নোট বা গাইড বই পড়ার জন্য প্রেসক্রিপশনের মতো নির্দেশ দিতে পারবেন না। বরং শিক্ষকদের সহযোগী বইয়ের তালিকা দিতে হবে এবং শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী বই সংগ্রহ করবে।
তিনি আরও বলেন, প্রিন্টিং প্রেস একটি অত্যন্ত সম্মানজনক ব্যবসা। বাংলাদেশে তুলনামূলক কম খরচে বই উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে, যা বিশ্বের অনেক দেশেও সম্ভব নয়। দেশের মুদ্রণশিল্পে সবাইকে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বই প্রকাশকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, বই ছাপানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই মানসম্মত কাগজ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে বইয়ের ব্যবসা পরিচালনার আহ্বানও জানান তিনি।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া শিক্ষাখাতে যে গুরুত্ব ও বাজেট দিয়েছেন, তা অন্য কেউ দেয়নি। একইভাবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তার মা-বাবার মতো শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
আলোকিত গৌড়/আ
মন্তব্য করুন: