যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কথিত আগ্রাসনের মুখে ইরান শুধু আত্মরক্ষাই নয়, বরং পুরো অঞ্চল ও মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লড়াই করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর এক মুখপাত্র।
শনিবার খতম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি এ কথা বলেন। তিনি জানান, সংবেদনশীল Strait of Hormuz পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইরান এখনো সংযত আচরণ করছে।
জোলফাকারি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য আমাদের ভূখণ্ড ও পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এখন আপনারা এর ফলাফল দেখতে পাচ্ছেন—আমরা শক্তির ভাষায় কথা বলছি।”
তিনি আরও বলেন, শত্রুদের পরাজিত করার প্রধান পথ হলো ‘প্রতিরোধ’। তার দাবি, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে প্রতিপক্ষের ক্ষয়ক্ষতি বাড়বে এবং তাদের সামরিক ঘাঁটিগুলো ধ্বংসের মুখে পড়বে।
ইসলামী বিপ্লবকে একটি দৃঢ় ও গভীরভাবে প্রোথিত বৃক্ষের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, এটি এখন অটল অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে। “আমরা শোকাহত, কিন্তু ক্লান্ত নই। আমাদের ক্ষতিই আমাদের শক্তিতে পরিণত হয়েছে,” যোগ করেন তিনি।
ইরানি এই সামরিক কর্মকর্তা বলেন, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে এবং শত্রুদের কোনো ‘ষড়যন্ত্র’ সফল হতে দেওয়া হবে না। তার ভাষায়, প্রতিরোধের মাধ্যমেই শত্রুদের পরাজয়ের কৌশল আয়ত্ত করা হয়েছে এবং শক্তির ভারসাম্য ইতোমধ্যে পরিবর্তিত হয়েছে।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের সম্ভাবনা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত এই সংঘাত অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা শুরু করে বলে দাবি করা হয়। এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
সূত্র: Press TV
আলোকিত গৌড়/আ
মন্তব্য করুন: