ইরানে ক্যানসারের ওষুধ উৎপাদনকারী একটি কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ এ দাবি করেছেন।
তিনি বলেন, হামলায় আক্রান্ত প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম বৃহৎ ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা, যেখানে ক্যানসাররোধী, চেতনানাশকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ উৎপাদন করা হয়। তার অভিযোগ, সামরিক পরিকল্পনায় ব্যর্থ হয়ে হামলাকারীরা বেসামরিক স্বাস্থ্যখাতকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, এক মাস ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে ‘তৌফিক দারু ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ কোম্পানি’কে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।
অন্যদিকে ইরানের ইস্পাহান এলাকায় একটি বড় ধরনের সামরিক স্থাপনাতেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক কর্মকর্তার বরাতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, সেখানে ২ হাজার পাউন্ড (৯০৭ কেজি) ওজনের ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এ হামলায় ভূগর্ভস্থ স্থাপনা ধ্বংসে ব্যবহৃত ‘পেনিট্রেটর মিউনিশন’ ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে একটি বড় বিস্ফোরণের ভিডিও শেয়ার করেন। যদিও ভিডিওটির সঙ্গে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে এটি ইস্পাহানের উপকণ্ঠে চালানো হামলার অংশ।
এদিকে বেলুচ মানবাধিকার সংগঠন ‘হালভাশ’ একই ধরনের আরও কিছু ভিডিও প্রকাশ করেছে। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণগুলো সোফেহ পাহাড় সংলগ্ন এলাকায় ঘটেছে, যেখানে সামরিক স্থাপনা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
আলোকিত গৌড়/আ
মন্তব্য করুন: