[email protected] সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
১৪ আষাঢ় ১৪৩৩

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তিকে ঐতিহাসিক বললেন নেতানিয়াহু

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৮ জুন ২০২৬, ১৩:২৫

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শনিবার (২৮ জুন) চুক্তি স্বাক্ষরের পর দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, এই সমঝোতা দুই দেশের দীর্ঘদিনের সংঘাত নিরসনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

নেতানিয়াহু বলেন, চুক্তির আওতায় দক্ষিণ লেবাননের নিরাপত্তা অঞ্চলে প্রয়োজন হলে ইসরায়েলের উপস্থিতি বজায় রাখার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র ও লেবানন স্বীকৃতি দিয়েছে। তিনি দাবি করেন, এ চুক্তির মাধ্যমে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে লেবাননে ইরান বা হিজবুল্লাহর মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীর কোনো ভূমিকা গ্রহণযোগ্য হবে না।

তবে চুক্তি স্বাক্ষরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্থানীয় সময় শনিবার লেবাননের নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা এলাকায় ইসরায়েল ড্রোন হামলা চালায়।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, হামলার স্থানটি ইসরায়েল ঘোষিত নিরাপত্তা অঞ্চলের বাইরে ছিল। অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, সেখানে স্থলবাহিনী না থাকায় ড্রোনের মাধ্যমে এমন একজনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যাকে নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল।

এদিকে ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত এই ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে হিজবুল্লাহ। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি দাবি করেছে, চুক্তিটি লেবাননের সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী এবং এটি কার্যত ইসরায়েলের দখলদারিত্বকে বৈধতা দেয়।

হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেম বলেন, ওয়াশিংটনে হওয়া এই চুক্তি লেবাননের জন্য অপমানজনক এবং এর কোনো বৈধতা নেই। তার মতে, এর পরিবর্তে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে নতুন কাঠামো গ্রহণ করা উচিত।

অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, লেবাননের ভবিষ্যৎ ইরান বা হিজবুল্লাহ নির্ধারণ করবে না। তিনি জানান, হিজবুল্লাহ পুরো লেবাননে নিরস্ত্র না হওয়া এবং ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।

আলোকিত গৌড়/আ

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর