যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে দক্ষিণ লেবাননে চলমান ‘সংবেদনশীল সামরিক অভিযান’ সাময়িকভাবে স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দক্ষিণ লেবাননের একটি পাইলট জোন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।
শনিবার (১১ জুলাই) ইসরায়েলি গণমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন যখন ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে নতুন দফার আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তখনই এক মার্কিন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত মাসে ওয়াশিংটনে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি রূপরেখা চুক্তির আওতায় দক্ষিণ লেবাননের দুটি ছোট এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারে সম্মত হয় ইসরায়েল। হিজবুল্লাহর অবকাঠামোমুক্ত ঘোষিত এসব এলাকায় পরবর্তীতে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীর (এলএএফ) সদস্যদের মোতায়েন করার কথা রয়েছে।
তবে চুক্তি স্বাক্ষরের দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও ইসরায়েলি বাহিনী এখনো পাইলট জোন হিসেবে নির্ধারিত দুটি এলাকাতেই অবস্থান করছে।
এদিকে আগামী সপ্তাহে ইতালির রোমে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে পরবর্তী দফার আলোচনা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এ বিষয়ে অবগত এক আরব কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সম্মত সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বৈরুত ওই আলোচনায় অংশ নেবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তার ভাষ্য, প্রথম পাইলট জোন থেকে সেনা প্রত্যাহারের কার্যক্রম আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শুরু হবে। একই সঙ্গে পরবর্তী পাইলট জোনগুলোর মানচিত্র ও পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। এ প্রক্রিয়ায় উভয় দেশের সঙ্গে সমন্বয় করছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
আরব কর্মকর্তার দাবি, প্রথমে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ওই এলাকাকে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের উপযোগী ঘোষণা করবে। এরপরই ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) সেখান থেকে সরে যাবে।
তবে প্রথম সেনা প্রত্যাহার ঠিক কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি। দ্বিতীয় পাইলট জোন থেকে সেনা প্রত্যাহারের সময়সূচিও এখনো অনিশ্চিত।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল।
আলোকিত গৌড়/আ
মন্তব্য করুন: