ইরানের লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
ইরানের বিভিন্ন বার্তা সংস্থায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, আগ্রাসনের জবাব এবং দায়ীদের শাস্তি দিতে জর্ডানের কিং হুসেইন ও আল আজরাক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করে, হামলায় ঘাঁটি দুটির প্রযুক্তিগত ও পুনর্গঠন সক্ষমতা ধ্বংস হয়েছে। একই সঙ্গে শত্রুপক্ষের বিমান উড্ডয়ন-সংশ্লিষ্ট স্থাপনাও ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের এই বাহিনী।
আইআরজিসি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, এত আগ্রাসন ও অপরাধের পরও তাদের দমিয়ে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা বন্ধ হবে না। ভবিষ্যতে প্রতিটি হামলার আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে রোববার ইরানের লারাক দ্বীপে আইআরজিসির দুটি রকেট লঞ্চারে বোমা হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। হামলায় ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করে এর প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল আইআরজিসি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, লারাক দ্বীপে থাকা ওই দুটি রকেট লঞ্চার মাইনবাহী দুটি মার্কিন জাহাজে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় সেগুলো লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। খবর আল জাজিরার।
ওই মার্কিন কর্মকর্তা আরও জানান, মার্কিন বাহিনী ওই এলাকা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে নৌযানের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে তারা প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে, লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে আইআরজিসি জানিয়েছে, ওই হামলায় তাদের কয়েকজন যোদ্ধা ও বেসামরিক বাসিন্দা নিহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থাও জানিয়েছে, হামলার জন্য দায়ীদের শাস্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আইআরজিসি।
আলোকিত গৌড়/আ
মন্তব্য করুন: