[email protected] শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:২১

সংগৃহিত ছবি

নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে হামলার বিষয়ে সতর্কতার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ ও এর স্ট্রাইক গ্রুপের সঙ্গে প্রায় ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার সেনা ও নাবিক থাকবেন। নভেম্বরের শেষ নাগাদ রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বর্তমানে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ ও ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’ মোতায়েন রয়েছে। দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের পর ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর পরিবর্তে ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’ মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে।

নতুন রণতরীটি মোতায়েন হলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর উপস্থিতি ২০ হাজারের বেশি নাবিক ও মেরিন সেনায় পৌঁছাবে। পাশাপাশি শত শত যুদ্ধবিমানও এই অঞ্চলে মোতায়েন থাকবে।

এদিকে, নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ইরানের দেওয়া শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের দাবি, কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে প্রস্তাবটি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো হয়েছিল।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরান অবিলম্বে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়ে একটি চুক্তি করতে চায়। তার দাবি, ইরান ‘শোচনীয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হচ্ছে।

অন্যদিকে, ইসরায়েলগামী একটি ফ্লাইটের ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাত এবং বিমানটি বিধ্বস্তের চেষ্টা করা কো-পাইলটের সঙ্গে ইরানের সম্ভাব্য যোগসূত্রের ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প।

বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ওই হামলাকারী পাইলটের সঙ্গে ইরানের কোনো যোগাযোগ ছিল কি না—এমন প্রশ্নের উত্তর তিনি ‘হ্যাঁ’ বলেই দেবেন। তবে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।

হামলার ঘটনায় ইরান দায়ী হলে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পাল্টা ব্যবস্থা নেবে কি না জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত’ হানা হবে। হামলাকারীকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বিমানে পাঠিয়েছিল কি না, কিংবা অন্য কোনোভাবে তাকে উগ্রবাদী করে তোলা হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হতে পারে।’

সূত্র: এনডিটিভি

আলোকিত গৌড়/আ

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর