[email protected] শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

ইরানকে ঘিরে বড় সামরিক প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:৫৭

সংগৃহিত ছবি

ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির তিনটি বিমানবাহী রণতরী ও দুটি উভচর অবতরণকারী নৌবহর ইরানের আশপাশে মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে ওই কর্মকর্তা জানান, ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের নেতৃত্বাধীন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ এবং ইউএসএস মেকিন আইল্যান্ডের নেতৃত্বাধীন উভচর নৌবহর সান দিয়েগো থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে যাত্রা করেছে। মেকিন আইল্যান্ডের সঙ্গে প্রায় ২ হাজার মার্কিন মেরিন সেনা রয়েছে।

ওই কর্মকর্তা জানান, নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের আশপাশে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমানবাহী রণতরী ও দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপ মোতায়েন থাকবে। এতে ইরানকে মোকাবিলায় মার্কিন নেতৃত্বের হাতে ‘অনেকগুলো বিকল্প’ তৈরি হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মেকিন আইল্যান্ডের নেতৃত্বাধীন উভচর নৌবহরে ইউএসএস অ্যাঙ্কোরেজ ও ইউএসএস জন পি. মুর্থাও রয়েছে। অন্যদিকে, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন নামে দুটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী রয়েছে।

ফলে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছালে ওই অঞ্চলে একসঙ্গে তিনটি মার্কিন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ অবস্থান করবে। পাশাপাশি ইউএসএস বক্সারকে ঘিরে একটি উভচর প্রস্তুতি নৌবহরও বর্তমানে ওই অঞ্চলে রয়েছে।

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক তৎপরতা এমন সময়ে বাড়ানো হচ্ছে, যখন দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের টানাপোড়েনের মধ্যেই নতুন করে মার্কিন নৌবহর মোতায়েনের খবর সামনে এলো।

এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছিল, প্রায় ৯ হাজার মার্কিন সেনাকে নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠানো হচ্ছে। রুজভেল্ট স্ট্রাইক গ্রুপ ও মেকিন আইল্যান্ডের নেতৃত্বাধীন উভচর নৌবহরের সদস্যদের সঙ্গে এসব সেনা যুক্ত হলে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ২০ হাজারের বেশি হতে পারে।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা জোরদারের সম্ভাবনার কথা বলেছেন। তবে কবে বা কী ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, এপি

আলোকিত গৌড়/আ

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর