[email protected] রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

জেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ধর্মীয় নেতাদের অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ মার্চ ২০২৬, ১৩:২৪

সংগৃহিত ছবি

জেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ইমাম, খতিব ও ধর্মগুরুদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত ও বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, সমাজে কিছু মানুষ আছেন, যাদের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সম্মান করে এবং জীবনের কঠিন সময়ে তাঁদের কাছ থেকে ভালো পরামর্শের প্রত্যাশা করে।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় ইতিমধ্যেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু হয়েছে। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা কৃষক কার্ড কার্যক্রম শুরু হবে এবং ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে।

ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নাগরিকদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে দেশের ভিত্তি শক্ত করতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে নাগরিকদের রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য আনতে পারে, কিন্তু ধৈর্য, সততা, কৃতজ্ঞতা, সহনশীলতা ও বিনয়ের মতো মানবিক গুণাবলি অর্জনে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ গুরুত্বপূর্ণ। সহিংসতা ও প্রতিহিংসামুক্ত সমাজ গঠনে ধর্মের ইতিবাচক শিক্ষার ভূমিকা বিশেষ।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির ও ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার রয়েছে। সরকারের পাইলট প্রকল্পের আওতায় ১৬ হাজার ৯৯২ জন ধর্মীয় নেতা মাসিক সম্মানি পাবেন। মসজিদের জন্য ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার টাকা পাবেন। মন্দিরের পুরোহিত ৫ হাজার এবং সেবায়েত ৩ হাজার টাকা পাবেন।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসে কাজ করছেন। এটিই আমাদের বাংলাদেশের ঐতিহ্য। কেউ যেন বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে।”

আলোকিত গৌড়/আ

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর