[email protected] সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

একাত্তরের চেতনার ব্যবসা করে জাতির মধ্যে বিভাজন করে রাখা হয়েছে: শিবির সভাপতি সাদ্দাম

এম. হাসান

প্রকাশিত: ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:০০

ছবি-আলোকিত গৌড়

বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, আমাদের সবসময়ই শেখানো হয় একাত্তরের চেতনা।

 এই চেতনার ব্যবসা করে জাতির মধ্যে বিভাজন তৈরি করে রাখা হয়েছে। সামনের দিকে জাতি যেন না আসতে পারে, এজন্য জাতিকে কিভাবে পেছন থেকে টেনে ধরা যায়, সেজন্য তারা লেগে আছে। অন্য কোন জাতিকে কি এমন যুদ্ধ বিগ্রহ সহ্য করতে হয়নি? ১৯৪৫ সালে কি জার্মানির অবস্থা এমন ছিল না? সোভিয়েত ইউনিয়ন কি ভেঙে ভেঙে খান খান হয়ে যায়নি? তারপরেও তারা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এখন বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ করছে। কারন তারা জাতিকে বিভক্ত করেনি।


রবিবার(০৪ অক্টোবর) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে একাদশ ও স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসম তিনি আরও বলেন, আমি এদেশে জন্মগ্রহণ করেছি, এদেশের আলো-বাতাসে বেড়ে উঠেছি। আমাকে বলা হয়, ৯০ সালের পরে জন্মগ্রহণ করলেও তুমি রাজাকার, তুমি আলবদর, আল-শামস, তুমি গুপ্ত। তোমাকে হত্যা করা হবে, দেশ থেকে বের করে দেয়া হবে। অথচ এদেশে জন্ম আমার, আমি ট্যাক্স দেয়, আমি এই দেশকে নিয়ে ভাবি, জাতিকে নিয়ে ভাবি, আমি দূর্নীতি করিনা, আমি মানুষের সম্পদ লোপাট করিনা, আমি চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি করিনা। তবুও বলা হয়, আমি নাকি রাজাকার। যুদ্বের সময় জন্ম না হলেও আমি নাকি চেতনায় রাজাকার। মানে জাতিকে সামনে আগাতে দিতে চাই না তারা৷ বিগত ৫৫ বছরে এই সামনে এগিয়ে যেতে না পারার পেছনে এটি অন্যতন একটি কারন।


চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পূর্ব শিবিরের সভাপতি মোহা. আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শাহ হোসাইন আহমদ মেহদী, রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মেহেদুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক শামীম আহমেদ, রাজশাহী মহানগর সভাপতি ইমরান নাজির, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মো. তরিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিবির ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।

আলোকিত গৌড়/জে.আর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর